
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জীবনের কাছাকাছি গিয়ে তাদের দুঃখ-কষ্টের গল্পে গভীরভাবে ব্যথিত হয়েছেন কণ্ঠশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খান। তাদের অভিজ্ঞতা তাকে আবেগাপ্লুত করেছে বলেই জানিয়েছেন এই শিল্পী, একই সঙ্গে সেই গল্পগুলো সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার ইচ্ছার কথাও বলেছেন তিনি।
বুধবার (২২ এপ্রিল) ঢাকায় জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) কার্যালয়ে তাহসানের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে দায়িত্ব নবায়ন করা হয়। এর ফলে আরও দুই বছর তিনি সংস্থাটির সঙ্গে যুক্ত থেকে কাজ করবেন।
রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর সঙ্গে সরাসরি কথা বলার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তাহসান বলেন, ‘আমি এমন সব পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি, যারা অকল্পনীয় ক্ষতি ও কষ্টের শিকার হয়েছে। তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি আমাকে অনুপ্রেরণা দেয়। আমি তাদের গল্পগুলো সবার কাছে তুলে ধরতে চাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘রোহিঙ্গারা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার পর প্রায় নয় বছর পার হয়েছে। একটি টেকসই সমাধান না আসা পর্যন্ত তাদের এই দুর্দশার প্রতি আমাদের সহানুভূতিশীল থাকা প্রয়োজন।’
২০২১ সালে এই সংস্থার শুভেচ্ছাদূত হিসেবে যুক্ত হওয়ার পর থেকে টানা চার বছর ধরে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রমে অংশ নিয়ে আসছেন তাহসান। শরণার্থীদের বাস্তবতা, তাদের সংগ্রাম ও অধিকার নিয়ে জনমত গড়ে তোলার কাজেও সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন তিনি।
এর আগে বিনোদন অঙ্গন থেকে কিছুটা দূরে থাকার ঘোষণা দিলেও মানবিক ইস্যুতে তাহসানের এই সম্পৃক্ততা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। রোহিঙ্গাদের দুর্দশা ও লড়াইয়ের গল্প সামনে আনার এই উদ্যোগ তার ভক্তদের মাঝেও আগ্রহ তৈরি করেছে।