
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার বনচৌকি সীমান্তে ধান ক্ষেতে কাজ করার সময় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এসে লিটন মিয়া (২৭) নামে এক কৃষককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় বিএসএফ'র বিরুদ্ধে। এতে স্থানীয় কৃষকরা ক্ষুব্ধ হয়ে ভারতীয় বিএসএফ'কে ধাওয়া করে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তাদের সাথে থাকা অস্ত্র দুটি শটগান ও একটি অকিটকি ফেলে পালিয়ে যায়। পরে কৃষকরা ওই দুটি শটগান ও ওয়াকিটকি বনচৌকি বিওপি ক্যাম্পে জমা দেন।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকালে হাতীবান্ধা উপজেলার গোতামারী ইউনিয়নের বনচৌকি সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, বিকালে বনচৌকি সীমান্তে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আমঝোল নামক স্থানে বাংলাদেশী নাগরিক লিটন মিয়া ফসলি জমিতে কাজ করতে গেলে, ভারতের "৭৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়ন" পাগলিমারি ক্যাম্প এর সদস্যদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এসময় ভারতীয় বিএসএফ সদস্যরা কৃষক লিটন মিয়াকে মারধর করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে পাশে থাকা কৃষকরা ভারতীয় বিএসএফ সদস্যদের ধাওয়া দিলে ধস্তাধস্তির ঘটনার ঘটে। এসময় বিএসএফ সদস্যরা দুইটি শর্টগান ও একটি অকিটকি রেখে পালিয়ে যায়। পরে কৃষকরা ওই দুটি শটগান ও অকিটকি বোনচৌকি ক্যাম্পে জমা দেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী কৃষক লিটন মিয়া বলেন, বিকালে বাংলাদেশের অভ্যান্তরে ধান ক্ষেতে কাজ করতে গেলে ভারতীয় বিএসএফ এসে বাধাঁ দেন। এতে প্রতিবাদ করলে তারা আমাকে মারধর করে ভারতে অভ্যন্তরে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে পাশে থাকা অন্য কৃষকরা এসে আমাকে বিএসএফ'র কাছ থেকে উদ্ধার করে। আমার হাতে ও পায়ে প্রচুর মারধর করেছে। আমি এর বিচার চাই।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ১৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম সাংবাদিকদের বলেন, বিএসএফের সাথে কথা হচ্ছে। অধিনায়ক পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে।