
নিজ জেলা পাবনায় চারদিনের সরকারি সফরে দ্বিতীয়দিন রোববার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পাবনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে আড্ডায় মিলিত হলেন।
রবিবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যা সাতটার কিছু সময় পর পাবনা প্রেসক্লাবে উপস্থিত হন রাষ্ট্রপতি। এ সময় তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান প্রেসক্লাব সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার, সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, ক্লাবের জীবন সদস্য স্কয়ার গ্রুপের পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু।
পরে ক্লাবের ভিআইপি মিলনায়তনে রাষ্ট্রপতি তার সতীর্থ সহকর্মী সাংবাদিকদের সঙ্গে আড্ডায় মিলিত হন। সে সময় রাষ্ট্রপতি পাবনায় মুক্তিযুদ্ধে তার অংশগ্রহণ, সাংবাদিকতা জীবন, শৈশবকাল নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন। হাসি, আনন্দ, খুনসুঁটিতে মেতে ওঠেন তার প্রিয় বন্ধু ও সাংবাদিকদের সঙ্গে। তিনি এমন আনন্দঘন আড্ডা মিস করেন বলেও অভিমত ব্যক্ত করেন। আড্ডার ফাঁকে রাষ্ট্রপতি তার প্রিয় খাবার চিড়া ভাজা, সিঙ্গারা, আলুর চপ খান সাংবাদিকদের সঙ্গে।
এ সময় স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য দেন, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক শিবজিত নাগ, সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল ইসলাম রবি, স্কয়ার গ্রুপের পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা অঞ্জন চৌধুরী পিন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা বেবী ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা, খন্দকার মাহবুব এলাহী বিশু, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুক্তার হোসেন, প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল মতীন খান, প্রেসক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার, সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান, সাংবাদিক নরেশ মধু প্রমুখ।
এর আগে রোববার সকালে রাষ্ট্রপতি আরিফপুর সদর কবরস্থানে তার বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন। সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে পাবনা সদরের ভবানীপুর মসজিদ পরিদর্শন করবেন। একইদিন সন্ধ্যা সাতটায় শহরের জুবলি ট্যাংক এলাকার নিজ বাসভবনে যাবেন। পরদিন মঙ্গলবার পাবনা সার্কিট হাউজে গার্ড অফ অনার গ্রহণ শেষে বঙ্গভবনের উদ্দেশ্যে হেলিকপ্টার যোগে রওনা দেবেন রাষ্ট্রপতি।
গত শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে হেলিকপ্টারযোগে পাবনায় যান রাষ্ট্রপতি। নতুন সরকার গঠনের পর নিজ জেলা পাবনায় রাষ্ট্রপতির এটাই প্রথম সফর।
উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এক সময় সাংবাদিকতা করেছিলেন। পাবনা প্রেসক্লাবের সম্মানিত জীবন সদস্য তিনি।