
মেহেরপুরের গাংনীতে বিএনপি কর্মীদের হামলায় জামায়াতের ৩ কর্মী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে জোড়পুকুরিয়া বাজারে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা সদ্য শেষ হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পোলিং এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। আহতরা হলেন, জোড়পুকুরিয়া গ্রামের মোজাম্মেল হকের ছেলে উজ্জ্বল হোসেন (৩২), তার বড় ভাই মাসুদ (৪৫) এবং ঝন্টু আলীর ছেলে জুয়েল।
আহত মাসুদ বলেন, “সকালে চায়ের দোকানে বসে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার কথা নিয়ে গ্রামের বিএনপি কর্মী মহিবুলের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে মহিবুলের ছেলে রিপনসহ কয়েকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়।”
তবে অপর পক্ষের মহিবুল বলেন, “চায়ের দোকানে বসে ভোট ও সরকার গঠন নিয়ে কথা চলছিল। এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে উজ্জ্বল, জুয়েল ও মাসুদ আক্রমণ করে বসেন। এতে উভয় পক্ষই মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনায় তার ছেলে রিপনের মাথা ফেটে গেছে।”
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাস জানান, “জোড়পুকুরিয়া বাজারে সকালে ভোট প্রদানকে কেন্দ্র করে গ্রামের জামায়াত কর্মী উজ্জ্বল, জুয়েল ও মাসুদের সঙ্গে বিএনপি কর্মী রিপনসহ কয়েকজনের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে রিপন ও তার লোকজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করলে জুয়েল, মাসুদ ও উজ্জ্বল আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।”
হামলার ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।