
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এমপিদের সরকারি বরাদ্দ আত্মসাত এবং দুর্নীতির কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি দাবি করেন, “এমপি সাহেবরা সরকারি বরাদ্দের ৫০ ভাগ নিজেদের পকেটে রাখে। তাদের সহযোগীরা ২৫ ভাগ নেয়, ঠিকাদাররা ২০ ভাগ পকেটে দেয়, আর মাত্র ৫ ভাগ প্রকৃত কাজে যায়।”
সোমবার বিকেলে সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় রুমিন ফারহানা এসব মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “পানিশ্বর এলাকার ভৌগোলিক-রাজনৈতিক গুরুত্ব অনেক বেশি। এই এলাকার ভোটে প্রার্থীকে বিজয়ী করলে এমপি হওয়া নিশ্চিত। আমি এখানে সফল হবো। আমার বাবাকে যেমন জিতিয়েছেন, আমাকেও জিতাবেন।”
অর্থনৈতিক অসৎ এমপিদের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, “এমপি যদি সৎ না হয়, সরকারি বা বেসরকারি যে কোনো কাজে অসুবিধা হয়। সরকারি ও স্বতন্ত্র এমপির বরাদ্দ সমান। এমপি যদি সৎ হয়, কোনো ঠিকাদারের সাহস নেই চুরি করার।”
এছাড়া প্রবাসী সম্প্রদায়ের অবদানের কথাও উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, “প্রবাসীরা দেশের ও গ্রামের অর্থনীতির চাকা চালায়। তাদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা এমপিদের দায়িত্ব।”
ব্যক্তিগত প্রতিশ্রুতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমার পরিবারের কেউ দেশে নেই, আত্মীয়রা বিদেশে থাকায় আমার পিছুটান নেই। নির্বাচনের ফল শুধু আমার এলাকার জনগণ পাবে, বিদেশের কেউ তা চাইবে না।”
ভোটের প্রতীক হিসেবে তিনি হাঁস নির্বাচন চিহ্নে লড়াই করার ইঙ্গিত দেন। তিনি বলেন, “ইনশাল্লাহ আগামী ২২ তারিখে প্রতীক জেনে যাব। আমরা হাঁস মার্কাতেই নির্বাচন চালাব।”
রুমিন ফারহানা বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেছেন। একই আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হচ্ছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব।