
সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব আরোপ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, “মতভেদের ঊর্ধ্বে উঠে আমরা যেন সামাজিকভাবে পারস্পরিক ভাই-বন্ধু নাগরিক হিসেবে সবাই বসবাস করতে পারি সেজন্য আমরা সবার সহযোগিতা কামনা করি। পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণ হবে, ইনশাআল্লাহ।”
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে কক্সবাজারের চকরিয়ায় সাবেক মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর চৌধুরীর বাবার মাস্টার সিরাজ উদ্দিন আহমদের জানাজায় তিনি এসব কথা বলেন।
স্থানীয় মগবাজার কমিউনিটি সেন্টার মাঠে অনুষ্ঠিত জানাজায় সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “জানাযায় আমি বক্তব্য দেই না এবং রাজনৈতিক বক্তব্য এখানে দেওয়া উচিতও নয়। সবাইকে একদিন বিদায় নিতে হবে এটাই নিয়ম, মরহুমের মাগফেরাত কামনার পাশাপাশি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।”
মাস্টার সিরাজ উদ্দিন আহমদ গতকাল রোববার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের করাইঘোনার নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে ৮০ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। তিনি চকরিয়া কেন্দ্রীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জমিদাতার দায়িত্ব পালন করেছেন। তার বড় ছেলে আলমগীর চৌধুরী আগের সরকারের সময় নৌকা প্রতীক নিয়ে দুইবার মেয়র নির্বাচিত হন।
জানাজায় আলমগীর চৌধুরী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য এএইচ সালাহউদ্দিন মাহমুদ, জামায়াত ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুক, চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক এম মোবারক আলী, পৌরসভা বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম হায়দার, সাধারণ সম্পাদক এম আব্দুর রহিমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও সাধারণ মানুষ।
উল্লেখ্য, সালাহউদ্দিন আহমদ বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-১ আসনে চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার ভোটারের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি এই আসনে আগেও তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং ২০০১-২০০৬ সালের বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।