
দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি জানালেও নিজেদের অবস্থানে কোনো শিথিলতা নেই—এমন বার্তা স্পষ্টভাবে দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রস্তুত।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে দেশটির সংবাদমাধ্যম মেহর নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির অনুমোদনের ভিত্তিতেই এই যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।
বিবৃতিতে শত্রুপক্ষকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ‘আঙুল এখনো ট্রিগারে’ রয়েছে এবং সামান্যতম ভুল হলেই সর্বশক্তি দিয়ে তার জবাব দেওয়া হবে।
এছাড়া সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি পূর্ণ অবিশ্বাস রেখেই ইসলামাবাদে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে ইরান। এই আলোচনার জন্য প্রাথমিকভাবে দুই সপ্তাহ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে, যা উভয় পক্ষের সম্মতিতে বাড়ানো যেতে পারে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইসলামাবাদের এই আলোচনা মূলত যুদ্ধক্ষেত্রের ধারাবাহিকতা হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে। সাধারণ মানুষ, বুদ্ধিজীবী এবং রাজনৈতিক দলগুলোকে এই প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে, কারণ এটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে।
একই সঙ্গে বিভ্রান্তিকর বা বিভেদ সৃষ্টিকারী মন্তব্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, আলোচনার মাধ্যমে যদি যুদ্ধক্ষেত্রে অর্জিত অগ্রগতি চূড়ান্ত রাজনৈতিক সাফল্যে রূপ নেয়, তবে তা জাতীয়ভাবে উদ্যাপন করা হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, “আমাদের হাত এখনো ট্রিগারেই আছে; শত্রুর পক্ষ থেকে সামান্যতম ভুল হওয়া মাত্রই পূর্ণ শক্তি দিয়ে তার জবাব দেওয়া হবে।”