
ইসলামের নাম ব্যবহার করে যারা সমাজে ঘৃণা ছড়িয়ে দেয়, তাদের সর্বোচ্চ ‘মাসুদ’ হওয়ার যোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রাশেদ খাঁন তার পোস্টে লেখেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী হিসেবে দাবি করা ওই ব্যক্তি আজ টুপি খুলে কথা বলেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিষয়টি এক অর্থে ইতিবাচক, কারণ এতে মনে হয়েছে সুন্নতি লেবাসের গুরুত্ব উপলব্ধি করার মতো বোধ হয় তার মধ্যে তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, ওই ব্যক্তি আসলে কী জিনিস, সেটি শেখ হাসিনাকে জিজ্ঞেস করার সুযোগ থাকলে তিনি অবশ্যই করতেন। তার দাবি, দুই ঘণ্টার মধ্যে ওই ব্যক্তি ওসিকে সরিয়েছেন, মেজরকেও সরিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী প্রশ্ন তোলেন, শেখ হাসিনার চেয়ে বড় মাফিয়া না হলে কি এতটা দাপট দেখিয়ে ওসি-মেজরকে সরানো সম্ভব? তিনি আরও বলেন, ওই ব্যক্তির বক্তব্য শুনে তার মনে হয়েছে, এখন হয়তো মানুষ বউয়ের চিকিৎসার খরচ বাদ দিয়ে আর বায়তুল মালের চাঁদা দিচ্ছে না। এ কারণেই মাঝখানে নিজের নাম বাদ দিয়ে বউয়ের নামে ঋণ নেওয়া হয়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার ধারণা, হয়তো ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে গিয়ে অর্থকষ্ট তৈরি হয়েছে, না হলে এতটা পাগল হওয়ার কথা নয়।
রাশেদ খাঁন আরও বলেন, মাঝে মাঝে তার মনে প্রশ্ন জাগে—এসব মানুষ আসলে ইসলাম চর্চা করছে, নাকি ঘৃণার চর্চা করছে? জামায়াতের এসব ‘মাসুদ’ যদি ইসলাম প্রতিষ্ঠার কথা এমন ভাষায় বলে, তাহলে তার মতে, জামায়াতের ইসলাম কায়েমের এই পদ্ধতি সমাজে শান্তির পরিবর্তে অশান্তিই বাড়াবে।
তিনি বলেন, কেউ যদি সত্যিকার অর্থে ইসলাম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করেন, তাহলে অবশ্যই তিনি সমর্থন পাওয়ার যোগ্য। তবে ইসলামের নামে যারা সমাজে ঘৃণা ছড়ায়, তারা সর্বোচ্চ ‘মাসুদ’ হওয়ার যোগ্য।