
হবিগঞ্জে আটকের প্রায় ২১ ঘণ্টা পর মুচলেকা দিয়ে থানা থেকে মুক্তি পেয়েছেন জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যসচিব মাহদি হাসান। একই সঙ্গে সংগঠনটির জেলা নেতা মির্জা সুমন ও মো. রাজু আহমেদকেও ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক জানিয়েছেন।
এর আগে সোমবার বিকেলে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদ এলাকা থেকে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া বিক্ষোভ মিছিল ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগে মাহদি হাসান, মির্জা সুমন ও রাজু আহমেদকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের সদর মডেল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
থানা থেকে মুক্তির পর মাহদি হাসান বলেন, “শহরে অসহনীয় লোডশেডিং, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, গ্যাসের সংকট নিরসন এবং দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে সর্বস্তরের ছাত্র-জনতার ব্যানারে আমরা বিক্ষোভ মিছিল করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পুলিশ ফ্যাসিবাদী স্টাইলে আমাদের থানায় নিয়ে আসে।”
তিনি আরও বলেন, “বিক্ষোভ মিছিলের আগের রাতে পুলিশ আমাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি করেছে, হুমকি-ধামকি দিয়েছে আমাদের পরিবারের সদস্যদের।”
এর আগে মাহদি হাসান একটি বক্তব্যের কারণে আলোচনায় এসেছিলেন। তার বক্তব্যের একটি অংশ ছিল, ‘আমরা বানিয়াচং থানা জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম, ‘এসআই সন্তোষকে কিন্তু পুড়িয়ে দিয়েছিলাম’।
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি জাহিদুল হক বলেন, প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই তারা বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেছিলেন। এতে বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা থাকায় তাদের আটক করা হয়। পরে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
তবে মুচলেকায় কী শর্ত বা বিষয় উল্লেখ রয়েছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি ওসি।