
ভারত-চীনের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মাঝেও অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বড় প্রগতি এসেছে। চীন সম্প্রতি ভারতে সার, রেয়ার আর্থ খনিজ এবং টানেল বোরিং মেশিন রপ্তানিতে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে।
গত মাসে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর বৈঠকে ভারত বিশেষভাবে এই তিনটি ইস্যুতে চাপ দিয়েছে। ভারত স্পষ্ট জানিয়েছিল, আকস্মিক সার রপ্তানি বন্ধ হওয়ায় রবি মৌসুমে ডি-অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে চীনের কারখানায় তৈরি টানেল বোরিং মেশিন আটকে থাকায় গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পও থমকে যাচ্ছিল।
অটোমোবাইল ও ইলেকট্রনিক্স খাতের প্রতিনিধিরাও রেয়ার আর্থ ম্যাগনেট ও খনিজ রপ্তানিতে চীনের বিধিনিষেধ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এর প্রেক্ষিতে, দুই দফা বৈঠকের মাধ্যমে জয়শঙ্কর ও ওয়াং ই সীমান্তে সেনা প্রত্যাহারের পর দ্বিপাক্ষিক আস্থা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে এসব রপ্তানি বিধিনিষেধ শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপ কেবল ভারত-চীনের সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দেবে না, বরং এমন সময়ে একটি শক্তিশালী বার্তা দিচ্ছে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য পশ্চিমা দেশ চীনের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে।
সূত্র: দ্য ইকোনমিক টাইমস