
তরুণ ব্যাটার তাওহীদ হৃদয়ের কাঁধে নতুন নেতৃত্ব সঁপে দিয়ে এক বুক নতুন আশা নিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। তবে প্রথম ম্যাচেই ঘরের মাঠে ব্যাট হাতে চরম হতাশাজনক পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন টাইগার ব্যাটাররা। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে প্রতিপক্ষের বোলিং তোপের মুখে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষ হওয়ার আগেই মাত্র ১৩১ রানেই অলআউট হয়ে গেছে স্বাগতিক দল।
ম্যাচের শুরুতে টস ভাগ্যে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সাহসী সিদ্ধান্ত নেন নতুন কাপ্তান তাওহীদ হৃদয়। ইনিংসের শুরুতে ব্যাটারদের মাঝে কিছুটা ইতিবাচক মনোভাব দেখা গেলেও উইকেটে তাদের স্থায়ীত্ব ছিল খুবই ক্ষণস্থায়ী। দলীয় ২৬ রানের মাথায় ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ব্যক্তিগত ১০ রান করে সাজঘরে ফিরলে উদ্বোধনী জুটি ভেঙে যায়। ওয়ান ডাউনে নামা সাইফ হাসানও নিজের ইনিংস বড় করতে পারেননি, মাত্র ২০ রান করেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন তিনি।
এদিকে অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় ক্রিজে এসেই একটি দৃষ্টিনন্দন ছক্কা হাঁকিয়ে বড় স্কোরের আভাস দিয়েছিলেন। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার তারকা স্পিনার অ্যাডাম জাম্পার একটি ঘূর্ণি বলে বোল্ড হয়ে মাত্র ৮ রানেই তাকে মাঠ ছাড়তে হয়। অধিনায়কের বিদায়ের পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতনের মিছিলে শামিল হন সৌম্য সরকার (১৭), ইমন (১০) ও শামীম পাটোয়ারী (১)। এর ফলে মাত্র ৭৮ রান তুলতেই প্রথম সারির ৬ উইকেট হারিয়ে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ।
দলের এই কঠিন পরিস্থিতিতে অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা সাকলাইন কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও ১০ বলে ১০ রান করে আউট হন। শেষ দিকে বড় শট খেলতে গিয়ে রিশাদ হোসেন মাত্র ৩ রানে বিদায় নিলে দলীয় ১০০ রান ছোঁয়ার আগেই ৮ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে স্বাগতিকেরা। শেষ পর্যন্ত লেজের সারির ব্যাটাররাও টিকতে না পারায় ১৩১ রানেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস। ব্যাটিং বান্ধব কন্ডিশনেও কোনো ব্যাটারই দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে না পারায় একটি চ্যালেঞ্জিং স্কোরবোর্ড দাঁড় করাতে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ।