
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৈরী আবহাওয়ার প্রভাব অব্যাহত রয়েছে। ঢাকাসহ ২০ জেলার ওপর দিয়ে রোববার (১২ জুলাই) রাত ১টার মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
রোববার (১২ জুলাই) অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য প্রকাশিত সর্বশেষ পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এদিকে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, বর্তমানে দেশের তিনটি নদীর চারটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে এবং এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে। তবে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকায় নতুন করে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। তবে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ির নদীতীরবর্তী নিচু এলাকায় কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। একই সময়ে লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
এ ছাড়া সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার নদীসংলগ্ন নিচু এলাকাগুলোতে স্বল্পস্থায়ী বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। একই ধরনের পরিস্থিতির আশঙ্কা রয়েছে নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলেও।