
বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসনে গত দুদিনে জামায়াত, জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তিন শতাধিক নেতাকর্মী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-তে যোগ দিয়েছেন।
সবশেষ বৃহস্পতিবার রাত (২২ জানুয়ারি) রামপাল উপজেলার ফয়লা বাজারে বিএনপির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে বাগেরহাট-৩ (রামপাল ও মোংলা) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের হাতে ফুল দিয়ে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে দলভুক্ত হন।
এর আগে, বুধবার বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া) আসনে ধানের শীষ প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাজির হোসেন, বাগেরহাট-১ (ফকিরহাট, মোল্লাহাট ও চিতলমারী) আসনে কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল, এবং বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা) আসনে সোমনাথ দে’র হাতে ফুল তুলে আরও আড়াই শতাধিক নেতাকর্মী বিভিন্ন দলের যোগদান নিশ্চিত করেন।
রামপালে যোগদানকারী উজলকুড় ইউনিয়ন যুব জামায়াতের অফিস সেক্রেটারি আ. কাদের জানান, “আমি ১৯৯৫ সালে ছাত্রশিবিরের মাধ্যমে রাজনীতি শুরু করি এবং পরে যুব জামায়াতে সক্রিয় ছিলাম। তবে গত ৫ আগস্টের পর জামায়াত তাদের নীতি ও আদর্শ থেকে সরে এসেছে। জনগণকে বিভ্রান্ত করে ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে। আমি বিএনপির প্রার্থী ড. শেখ ফরিদুল ইসলামকে কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে বিশ্বাস করে, এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আস্থা রেখে বিএনপিতে যোগ দিয়েছি।”
এদিকে উজলকুড় ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সহসভাপতি মোল্লা মহসিন বলেন, “তারেক রহমানের নেতৃত্বে একজন সৎ, নির্ভীক ও যোগ্য প্রার্থী হিসেবে ড. শেখ ফরিদুল ইসলামকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অনুপ্রাণিত হয়ে আমি ও আমার অনুসারীরা বিএনপিতে যোগ দিয়েছি।”
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও বাগেরহাট-৩ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, “শুধু রামপাল নয়, জেলার চারটি সংসদীয় আসনে গত দুদিনে তিন শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। নতুন যোগদানকারীদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা বিএনপির সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডকে আরও শক্তিশালী করবে এবং দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মিশন ও ভিশন বাস্তবায়নে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।”