
নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্লাস্টিকের ঝুড়ি ও বাঁশ দিয়ে উঁচু টাওয়ার নির্মাণ করায় তা নামিয়ে ফেলছে যৌথ বাহিনী। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের পুখুরিয়া পল্লী বিদ্যুৎ বাজার, শিবগঞ্জ থানা মোড় ও সত্রাজিতপুর বাজারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌফিক আজিজের নেতৃত্বে এসব টাওয়ার নামানো হয়।
জানা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনে জামায়াতের প্রার্থী কেরামত আলীর পক্ষে তার সমর্থকরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পাড়া ও মোড়ে মোড়ে ২০ থেকে ৩০ ফুট উঁচু বাঁশে প্লাস্টিকের ঝুড়ি দিয়ে টাওয়ার তৈরি করেছে। এ নিয়ে বিএনপির প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট ও দলটির উপজেলা সদস্য সচিব তোসিকুল ইসলাম রিটার্নিং কর্মকর্তার বরাবর একাধিকবার লিখিত অভিযোগ করলে এই অভিযান চালানো হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌফিক আজিজ জানান, নির্বাচনি বিধিমালা মোতাবেক প্লাস্টিকের তৈরি কোনো প্রতীক ব্যবহার অবৈধ। একইসঙ্গে ৩ মিটারের (১০ ফুট) বেশি উঁচু প্রতীক নির্মাণ করা যাবে না। সেজন্য আজ শিবগঞ্জে প্লাস্টিকের তৈরি ৩ মিটারের বেশি উচ্চতার প্রতীক সরানোর অভিযান শুরু হয়েছে। তিনি জানান, নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন হবে এমন কোন কিছুর অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিএনপির সদস্য সচিব তোসিকুল আলম বলেন, “জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে তাদের কর্মীরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে। আমরা এসবের বিরুদ্ধে অভিযোগও দিয়েছি। আজকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই অভিযানকে আমরা ধন্যবাদ জানাচ্ছি।” তিনি প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান, আগামীতেও এ ধরনের অভিযান চলমান রাখা হোক।
এ নিয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির ও নির্বাচনি পরিচালনা কমিটির প্রধান সাদিকুল ইসলাম বলেন, “গতরাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলার পর আমরা বিভিন্ন স্থানে দাঁড়িপাল্লার উঁচু টাওয়ারগুলো নামানো শুরু করেছি। যদিও নির্বাচনি আচরণবিধির মধ্যে এটা পরে না, তবুও প্রশাসনের প্রতি সম্মান জানিয়ে আমরা সেগুলো নামাচ্ছি। একইসাথে কর্মীদের ৩ মিটারের মধ্যে প্রতীক দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছি।”