
বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট কনফেডারেশনের সাংগঠনিক কার্যক্রমে পরিবর্তন এনে নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। জাতীয় সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেনকে সভাপতি এবং মাহফুজ হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করে গঠিত এ কমিটিকে আগামী তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করে নির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক মো. দৌলতুজ্জামান খানের সই করা আদেশে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে আদেশ জারির তারিখ থেকেই কমিটির কার্যক্রম কার্যকর হবে।
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট কনফেডারেশনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজন এবং নির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের ক্ষেত্রে আগের অ্যাডহক কমিটি যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেনি। এ কারণে আগের কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন, ২০১৮-এর ২০২৬ সালের সংশোধনীসহ ২১ ধারা এবং ২(৪) ও ২(৮) ধারায় পরিষদের চেয়ারম্যানের ওপর অর্পিত ক্ষমতাবলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই আইনের ১৪(৩) ধারা অনুসরণ করে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নতুন কমিটির সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জেসমিন নাহার, ক্রীড়াবিদ ও সংগঠক মো. মনিরুল ইসলাম, মল্লিক গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো. আব্দুল হালিম, ক্রীড়া সংগঠক মোহাম্মদ তারিকুল আলম, শিল্পপতি ও ক্রীড়া সংগঠক মো. শহীদুল ইসলাম এবং ক্রীড়া সংগঠক শাহেদ ওয়াহেদ আলী।
সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ হাসান জাতীয় স্যান্ডো ও কোরাস প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত খেলোয়াড়, বিচারক ও সংগঠক। যুগ্ম সম্পাদক হয়েছেন মো. শাহাদাত হোসেন খান ও সাঈদ মো. আলভী। কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব পেয়েছেন আরবিএফসি ফাইট প্রমোশনের চেয়ারম্যান ও চ্যাম্পিয়ন এজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হাবিবুল্লাহ পারভেজ।
কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন অ্যাডভোকেট মো. তাইফুর রহমান (সুমন), মো. বাবুল আহমেদ রুবেল, মো. মহিউদ্দিন, তাসলিমা চৌধুরী রিতা, পারভীন আক্তার, আমিরুল ইসলাম, হাসনা হেনা হ্যাপি, মো. আরিফ হোসেন, মো. সেলিম মাহমুদ, মো. নাজমুস সাকিব, নাদিম মাহমুদ, মঞ্জুর হোসেন বাদল, জুয়েল রক্ষিত, মো. খাইরুল হাসান, মো. আছরার আহমেদ, আরমানুল করিম আবীর, হোসেন অংকুর আন্দালিব ও মো. পলাশ।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্দেশনা অনুযায়ী, নতুন অ্যাডহক কমিটিকে আদেশ জারির পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। এরপর নির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে হবে।