
ঝিনাইদহ-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী রাশেদ খান নির্বাচিত হলে এলাকায় চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব নির্মূলের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, জয়ী হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে এবং কোনো রাস্তা আর কাঁচা থাকবে না।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ শহরের সরকারি ভূষণ হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এসব মন্তব্য করেন। সমাবেশটি আয়োজন করে কালীগঞ্জ উপজেলা ও পৌর বিএনপি।
৫ আগস্টের পর যারা হাটবাজার দখল ও চাঁদাবাজিতে জড়িত হয়েছেন, তাদের উদ্দেশে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “এ এলাকায় আর চাঁদাবাজি চলবে না। যারা আওয়ামী লীগের নাম ব্যবহার করে মামলা দিয়ে চাঁদাবাজি করেছে, তাদের কোনো জায়গা হবে না।”
রাশেদ খান আরও বলেন, “‘ধানের শীষ’ প্রতীক তারেক রহমানের আমানত। এই প্রতীক ব্যবহার করে কেউ মিথ্যা বলে বা কোনো ধরনের ফায়দা লুটতে চাইলে জনগণ তাকে প্রত্যাখ্যান করবে।”
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশ্যে তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, “আপনারা নির্বিঘ্নে বসবাস করবেন। বিএনপির কাছে আপনি শতভাগ নিরাপদ থাকবেন।”
স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমালোচনা করে রাশেদ খান বলেন, “দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে লেখাপড়া করলেও মানসিকতার কোনো উন্নয়ন হয়নি। মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ভোট নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। যারা এমন অভিনয় করবে, জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।”
সমাবেশে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। অনুষ্ঠান শুরুর আগেই শহরের বিভিন্ন এলাকা হাজার হাজার নেতাকর্মীর পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে এবং সমাবেশস্থল কানায় কানায় ভরে যায়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ, আর বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ইসরাইল হোসেন জীবন।
হামিদুল ইসলাম সমাবেশে বলেন, “ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে। আপনারা সবাই তারেক রহমানের প্রতীক ধানের শীষে ভোট দেবেন। দেশের উন্নয়নে আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করতে চাই।”