
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী ও তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন - মো. মিলন ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী সাহেদা আক্তার লাইজু।
সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-১১ এর কোম্পানি কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৫ বছর আগে মিলনের সঙ্গে নিহত নারীর বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে কলহ চলছিল।
অভিযোগ রয়েছে, মিলন প্রায়ই তার স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন। গত ১২ মার্চ ভোরে হাতিয়া উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের আল-আমিন গ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে মিলন তার স্ত্রীকে মারধর করেন। একপর্যায়ে লোহার রড দিয়ে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় বাজারের একটি ফার্মেসিতে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। এ ঘটনায় নিহত নারীর ছোট ভাই বাদী হয়ে হাতিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার সূত্র ধরে র্যাব-১১ (সিপিসি-৩) নোয়াখালী এবং র্যাব-৭ চট্টগ্রামের যৌথ টিম অভিযান চালিয়ে রবিবার বিকালে চট্টগ্রাম মহানগরীর আগ্রাবাদ এক্সেস রোড এলাকার ছোটপুল থেকে মো. মিলনকে গ্রেপ্তার করে। পরে হালিশহর বড়পোল মোড় এলাকা থেকে সাহেদা আক্তার লাইজুকে আটক করা হয়।
র্যাব-১১ এর কোম্পানি কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র্যাব জানিয়েছে।