
বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তালিকায় নতুন করে জায়গা করে নিলেন কে-পপ গ্রুপ ব্ল্যাকপিঙ্কের তারকা জেনি। ২০২৬ সালের জন্য প্রভাবশালী সাময়িকী টাইমের প্রকাশিত ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন তিনি, যেখানে এ বছর একমাত্র কে-পপ শিল্পী ও একমাত্র দক্ষিণ কোরীয় প্রতিনিধি হিসেবে উঠে এসেছেন এই সংগীতশিল্পী।
এই স্বীকৃতি কেবল ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং বৈশ্বিক সংস্কৃতিতে কে-পপের বিস্তৃত প্রভাবেরও প্রতিফলন হয়ে উঠেছে। টাইমের ‘শিল্পী’ বিভাগে জেনির নাম রাখা হয়েছে ডাকোটা জনসনের মত আন্তর্জাতিক অঙ্গনের আরও পরিচিত তারকাদের পাশে, যা তার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার বিস্তারকেই স্পষ্ট করে।
গত এক বছরে জেনির ধারাবাহিক সাফল্যই তাকে এই অবস্থানে পৌঁছে দেয়। তার প্রথম একক অ্যালবাম ‘রুবি’ বিশ্বজুড়ে বিপুল বিক্রি হয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসে। একই সঙ্গে ব্রিটিশ অ্যালবাম চার্টে কোরীয় একক শিল্পী হিসেবে সর্বোচ্চ অবস্থান দখল করেন তিনি।
পাশাপাশি বিলবোর্ড হট ১০০ তালিকায় একসঙ্গে তিনটি গান জায়গা করে নেওয়ার মতো বিরল কৃতিত্বও দেখান জেনি। টেম ইম্পালার সঙ্গে তার ‘ড্রাকুলা’ গানের রিমিক্স সংস্করণ তাকে বিলবোর্ডের রক ও অল্টারনেটিভ এয়ারপ্লে তালিকার সেরা দশে জায়গা পাওয়া প্রথম নারী কে-পপ একক শিল্পীতে পরিণত করে।
জেনির ব্যক্তিত্ব ও প্রভাব নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে এক জনপ্রিয় গায়িকা একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মঞ্চে হাজারো মানুষের সামনে কিংবা ব্যক্তিগত পরিসরে, জেনি সব সময় তার উপস্থিতি দিয়ে মানুষকে আকর্ষণ করেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘তার ভেতরের শক্তি ও আত্মবিশ্বাসই তাকে বৈশ্বিক তারকায় রূপ দিয়েছে।’
ভক্ত ও বিশ্লেষকদের মতে, এই স্বীকৃতি জেনির একার নয়, বরং বিশ্বজুড়ে দক্ষিণ কোরীয় সংগীতের ক্রমবর্ধমান আধিপত্যের প্রতীক। দলীয় সাফল্যের গণ্ডি পেরিয়ে একক শিল্পী হিসেবে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করা থেকে শুরু করে ফ্যাশন ও সংস্কৃতির প্রভাব বিস্তার, সব মিলিয়ে জেনির এই উত্থান যেন আধুনিক সংগীত জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের গল্প।