
ভোলা-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহাম্মেদ বীর বিক্রম বলেছেন, ড. ইউনুসের গঠিত এনসিপি কোনও আসনই পাবে না। ছোট এই দলটি মানুষকে বিভ্রান্ত করে নির্বাচন বাঁচানোর চেষ্টা করলেও তা সফল হবে না।
রোববার ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নে, চাঁচড়া বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে আয়োজিত নির্বাচনী বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেজর হাফিজ এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “একটি ছোট্ট দল যেটির নাম হচ্ছে এনসিপি প্রফেসর ইউনুস সাহেব বানিয়েছে, আগামী নির্বাচনে এটা একটা আসনও পাবে না। বাংলাদেশের জনগণ তাদের কোনো ভোট দেবে না। এটি বুঝেই তারা মানুষকে ভুল বুঝিয়ে মাঠে নামানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। তাদের সেই পরিকল্পনা কোন দিনই সফল হবে না। যথা সময়ে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।”
মেজর হাফিজ আরও বলেন, “একটি দল সাধারণ ভোটারদের বলে বেড়ায়, ফুলকপিতে ভোট দিলে জান্নাতে যাওয়া যাবে। আল্লাহর কাজ ছাড়া কেউ জান্নাতে যেতে পারবে না। ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে দুটি ভোট অনুষ্ঠিত হবে—একটি জাতীয় ভোট ও আরেকটি হ্যাঁ-না ভোট। আপনারা হ্যাঁ ভোট দিয়ে আপনার দায়িত্ব পালন করবেন।”
তিনি আরও বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষে আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন এবং তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করুন। আমি এমপি নির্বাচিত হলে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস ও মাদককে কঠোর হাতে দমন করবো। দেশের একটি দল দিনের ভোট রাতে করে মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছে। জনগণও তাদেরকে ভারত পাঠিয়ে দিয়েছে। ভারতে বসে পতিত সরকারের লোকজন দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে।”
সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন:
তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টু,
সাধারণ সম্পাদক ওমর আসাদ রিন্টু,
উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন হাওলাদার,
চাঁদপুর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি মহিউদ্দিন জুলফিকার।
অন্যান্য বক্তারা ছিলেন:
চাঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সম্পাদক ইব্রাহিম হাওলাদার,
ভোলা জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি হাসান ছাফা পিন্টু,
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার,
ঢাকা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি খালেদ হাসান মিরাজ,
আয়কর আইনজীবি মাইনুল আহাদ বাইজিদসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সভা চলাকালীন সময়ে সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হাওলাদারের গ্রুপের মধ্যে ছোটখাটো সংঘর্ষ ঘটে, তবে কেউ আহত হননি।