
নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত ইরানি ব্যবসায়ী ও অর্থদাতা বাবাক জানজানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৯টি প্রতিষ্ঠান এবং ৪ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, তারা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে ইরানের জন্য অর্থ ও তহবিল স্থানান্তরে সহায়তা করছিল।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় জানায়, বাবাক জানজানির ডট ওয়ান গ্রুপের ইরানভিত্তিক কার্যক্রম, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত কয়েকটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করেই এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যেতে সহায়তার অভিযোগ রয়েছে।
মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের দাবি, আর্থিক সেবা, ডিজিটাল সম্পদ (ডিজিটাল অ্যাসেট) লেনদেন, স্বর্ণ ও মূল্যবান রত্ন উৎপাদন এবং বিভিন্ন অবকাঠামো প্রকল্পকে ঘিরে গড়ে তোলা বিস্তৃত ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বাবাক জানজানি ইরানের জন্য অর্থ পাচার ও গোপনে তহবিল স্থানান্তরের কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।
এক বিবৃতিতে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, বেপরোয়া নীতির কারণে ইরানের শাসনব্যবস্থাকে বড় ধরনের অর্থনৈতিক মূল্য দিতে হচ্ছে। তিনি বলেন, দেশটির মুদ্রা রিয়াল রেকর্ড দরপতনের মুখে পড়েছে এবং মূল্যস্ফীতিও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
তিনি আরও বলেন, দুর্নীতিগ্রস্ত ইরানি শাসকগোষ্ঠী, তাদের অর্থদাতা এবং সহযোগীদের আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশের সুযোগ সীমিত করতে ট্রেজারি বিভাগ ভবিষ্যতেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে।
এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে মার্কিন ট্রেজারির অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল (ওএফএসি) বাবাক জানজানি এবং তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুটি বড় ডিজিটাল সম্পদ প্ল্যাটফর্ম—জেডসেক্স এক্সচেঞ্জ লিমিটেড ও জেডজিয়ন এক্সচেঞ্জ লিমিটেড—এর বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স