
মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে বড় ধরনের ঝাঁকুনি দিয়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে এসেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ফারস নিউজ এজেন্সি ও তাসনিম নিউজের বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে আল-জাজিরা।
ফারস নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার সকালের দিকে খামেনেয়ি মারা যান। সে সময় তিনি নিজ দপ্তরে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
এর আগে শুক্রবার গভীর রাতে এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্মিলিত হামলায় খামেনি নিহত হয়েছেন এবং তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল-১২ জানায়, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে খামেনির মরদেহের ছবি দেখানো হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রাসাদের কমপাউন্ডেই তিনি প্রাণ হারান এবং সেখান থেকে ইরানি উদ্ধারকারীরা তার মরদেহ উদ্ধার করেন।
শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে খামেনির প্রাসাদকে লক্ষ্য করে বড় আকারের হামলা চালায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। পরে প্রকাশিত স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যায়, তার প্রাসাদ সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
তবে এর আগে খামেনির মৃত্যুর খবর অস্বীকার করেছিল ইরান। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, শত্রুরা মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে। এ ব্যাপারে সবাইকে জাগ্রত থাকতে হবে।
এ হামলায় খামেনি ছাড়াও তার মেয়ে, নাতি, পুত্রবধূ ও জামাই নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে রয়টার্স।