
দীর্ঘ ২৩ বছরের অপেক্ষার পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে আবারও টেস্ট খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ। ২০০৩ সালের পর প্রথমবারের মতো দেশটির মাটিতে টেস্ট খেলছে টাইগাররা। সেই সময়ের স্মৃতি জড়িয়ে থাকা মারারা স্টেডিয়ামেই এবার দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে মুখোমুখি হয়েছে দুই দল।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৬টায় শুরু হয় ম্যাচটি। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া।
তবে ইনিংসের শুরুতেই বাংলাদেশের পেস আক্রমণের সামনে চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ১৪ ওভার শেষে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫২ রান, হারায় ২ উইকেট। দুই উইকেটই তুলে নেন ডানহাতি পেসার হাসান মাহমুদ।
নতুন বল হাতে তাসকিন আহমেদের সঙ্গে বোলিং শুরু করেন হাসান। শুরু থেকেই অফ স্টাম্পের বাইরে নিয়ন্ত্রিত লাইন ও লেংথে বল করে অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার ট্রাভিস হেড ও জেক ওয়েদারাল্ডকে স্বস্তিতে থাকতে দেননি তিনি। উইকেটে ঘাস থাকায় বল থেকে বাড়তি সুইং ও বাউন্সও আদায় করে নেন এই পেসার।
১২তম ওভারের চতুর্থ বলে প্রথম সাফল্য পান হাসান। অফ স্টাম্পের বাইরে ড্রাইভ করার মতো বল পেয়ে শট খেলতে যান ওয়েদারাল্ড। তার ব্যাটের কানা ছুঁয়ে বল চলে যায় উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসে। ২৩ রান করে ফিরে যান অস্ট্রেলিয়ার এই ওপেনার।
এরপর ১৪তম ওভারেই আরেকটি উইকেট তুলে নেন হাসান। রাউন্ড দ্য উইকেট থেকে করা ভালো লেংথের বলটি ভেতরের দিকে ঢুকে ট্রাভিস হেডের ব্যাটে লাগে এবং সেখান থেকে সরাসরি স্টাম্পে আঘাত করে। ২২ রানেই শেষ হয় হেডের ইনিংস।
হেডের বিদায়ের পর অস্ট্রেলিয়ার চার নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামেন স্টিভেন স্মিথ। ক্রিজে তখন মারনাস লাবুশেনের সঙ্গে যোগ দেন স্মিথ। তবে বাংলাদেশের পেসারদের শুরুটা যে স্বাগতিকদের জন্য মোটেও স্বস্তির ছিল না, তা প্রথম ঘণ্টাতেই স্পষ্ট হয়ে যায়।