
সিঙ্গেল নিলে ম্যাচ গড়াত সুপার ওভারে, আর দুই রান হলেই চ্যাম্পিয়ন—এমন সমীকরণে হারমানপ্রীত কৌরকে লং অফে ঠেলে ডাইভ দিয়ে জাহানারা আলম দুই রান নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই উল্লাসে ফেটে পড়েছিল বাংলাদেশ দল। বড় কোনো টুর্নামেন্টে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সেই আনন্দ কুয়ালালামপুর ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পড়েছিল বাংলাদেশেও। তামিম ইকবাল, মেহেদী হাসান মিরাজরাও মেতে উঠেছিলেন উদ্যাপনে।
কিন্তু ২০১৮ সালের সেই ঐতিহাসিক এশিয়া কাপ জয়ের পর আর ফাইনালে উঠতে পারেনি বাংলাদেশ। ২০২২ সালে ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপেও সেমিফাইনালে জায়গা হয়নি তাদের। ২০২৪ সালে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত আসরে শেষ চারে উঠলেও ভারতের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয় বাংলাদেশকে।
পুরোনো সেই সাফল্য ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়েই এবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে নামছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। দুবাইয়ে আজ ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের এশিয়া কাপ অভিযান। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ১৯টি টি-টোয়েন্টি খেলেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে ১১টিতে জয় পেয়েছে এবং হেরেছে ৮টিতে। জুন-জুলাইয়ে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাঁচ ম্যাচ খেলে মাত্র একটিতে জয় পেয়েছিল তারা।
সাম্প্রতিক ফর্ম খুব একটা স্বস্তি না দিলেও আজকের প্রতিপক্ষ ইন্দোনেশিয়া হওয়ায় বাড়তি আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামতে পারবে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ১০ নম্বরে, আর ইন্দোনেশিয়া রয়েছে ২২ নম্বরে। কাগজে-কলমেও দুই দলের শক্তির ব্যবধান স্পষ্ট।
তবে এশিয়া কাপের মতো বড় মঞ্চে সাম্প্রতিক ব্যর্থতার চাপ সামলে ভালোভাবে টুর্নামেন্ট শুরু করাই বাংলাদেশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ। জ্যোতির নেতৃত্বে দলটি আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়ে এবার শেষ পর্যন্ত শিরোপার লড়াইয়ে থাকতে চায়। সেটিই তাদের মূল লক্ষ্য।