
মাদক কারবারে জড়িতদের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, মাদক ব্যবসা না ছাড়লে গর্তে পড়ে গেলে তাকে উদ্ধার করার কেউ থাকবে না।
শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ছিলাদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের সময় ১৭ বছর ধারাবাহিকভাবে মাদক নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। সেই মাদক যদি বিএনপির কেউ নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে, তার রক্ষা নাই।
তিনি বলেন, মাদকের ব্যবসা করে কিছু প্রভাবশালী লোক। এরা সাময়িক প্রভাবশালী। তারা যদি মনে করে অনেক কিছু হয়ে গেছে, সেটা ভুল। এগুলো ছেড়ে দিন। না ছাড়লে কেউ যদি গর্তে পড়ে যায়, সেখান থেকে উদ্ধার করার কোনো লোক থাকবে না।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা কাজ করবে। তাদের কাজে বাধা দেওয়ার সুযোগ নেই। থানার ওসিদের বলা আছে, মাদকের বিষয়ে কোনো সুপারিশ শুনবে না। আমার-আপনার তদবির করারও সুযোগ থাকবে না।
তিনি বলেন, প্রশাসনের কাজ প্রশাসনের গতিতে চলবে, রাজনীতির কাজ রাজনীতির গতিতে চলবে। আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটালে সঙ্গে সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শান্তিপূর্ণভাবে থাকার জন্য, চলার জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। এখন যদি শান্তি না হয়, আর কবে শান্তি হবে?
পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, নারী উন্নয়নে নারীবান্ধব হিসেবে সরকার দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার পরিবারের নারী প্রধানকে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে টাকা দিচ্ছেন। ওই টাকা থেকে প্রয়োজনীয় খরচের পর সঞ্চয়ও করছেন নারীরা। এভাবেই বিএনপি পরিবারের উন্নয়নের জন্য নতুন নতুন পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘সরকারের এই সহযোগিতার কারণ হচ্ছে, একজন মা যদি এই সহযোগিতাটা পান, তিনি যদি সচেতন থাকেন, তিনি যদি তার পরিবারকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন এবং সরকারের এই সহযোগিতার কারণে যদি তার ছেলেমেয়ে শিক্ষিত হতে পারে, তাহলে পুরো জাতিই শিক্ষিত হবে। তাই এই টাকাটাও ইনভেস্ট। এই টাকাটাও আমরা ইনভেস্ট করতেছি।’
এ সময় জেলা ওলামা দলের সভাপতি শাহ মোহাম্মদ এমরান, দিঘলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ারসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।