
বিশ্বখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসস্থল সুন্দরবনের আকরাম পয়েন্ট ও আশপাশের এলাকা আকাশপথে ঘুরে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার সকালে হেলিকপ্টারে সুন্দরবন পরিদর্শন শেষে খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় মাঠ ও আশপাশের এলাকায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ২৮ মিনিটে হেলিকপ্টারে নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে পায়ে হেঁটে নলিয়ান কোস্টগার্ডের পন্টুনের দিকে যাওয়ার সময় সড়কের দুই পাশে অপেক্ষমাণ নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান তিনি। এ সময় বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে তাঁকে স্বাগত জানান দলীয় নেতাকর্মীরা।
সকাল ১০টা ৪৮ মিনিটে নলিয়ান কোস্টগার্ডের পন্টুন থেকে নৌপথে মোংলার উদ্দেশে যাত্রা করেন সরকারপ্রধান। দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে মোংলায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ বানৌজা মোংলার জেটিতে পৌঁছান তিনি। সেখানে মোংলা বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম ও জেটি ঘুরে দেখেন। এরপর প্রস্তাবিত বেজা অর্থনৈতিক অঞ্চলও পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর সুন্দরবন সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মো. মনজুর আলম।
প্রধানমন্ত্রীর সফর প্রসঙ্গে খুলনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. মনিরুজ্জামান মন্টু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দাকোপ সফরের এই অনুষ্ঠানটি পাবলিক ছিল না। এখানে তিনি আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেননি। যাওয়া-আসার পথে তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। তার এ আগমনের মধ্য দিয়ে খুলনার অবকাঠামোগত উন্নয়ন হবে বলে আশা করি।
মোংলা নৌঘাঁটি ও বন্দর পরিদর্শন
এদিকে, দুপুর পৌনে ১টার দিকে মোংলার দিগরাজ নৌঘাঁটিতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।
দুপুর পৌনে ৩টার দিকে মোংলা বন্দর জেটি পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর যান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনে। সফরের শেষ পর্যায়ে বিকেল সোয়া ৫টায় হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে মোংলা সমুদ্রবন্দর ত্যাগ করেন তিনি।