
জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন ও বিধিমালা মেনে চলতে সরকারি এবং সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। পতাকা ব্যবহারের অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও তা প্রদর্শন, সূর্যাস্তের পরও পতাকা ঝুলিয়ে রাখা এবং নির্ধারিত মাপ, অনুপাত ও রং অনুসরণ না করার মতো অনিয়মের পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে সম্প্রতি সব সিনিয়র সচিব ও সচিবের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের কিছু কর্মকর্তা বা ব্যক্তি জাতীয় পতাকা ব্যবহারের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও নিজেদের অফিসকক্ষে চেয়ার কিংবা সোফার পেছনে খুঁটিতে খাড়াভাবে পতাকা রাখছেন।
সূর্যাস্তের পর পতাকা প্রদর্শন নয়
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২ অনুযায়ী, মোটরগাড়ি, জলযান ও বিমান ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে জাতীয় পতাকা সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত প্রদর্শন করা যায়। কিন্তু কিছু অফিসে দিন-রাত পতাকা ঝুলিয়ে রাখার ঘটনা কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া জাতীয় পতাকার নির্ধারিত আকার, অনুপাত ও রং বজায় না রেখে অফিসকক্ষের সাজসজ্জা, অলংকরণ কিংবা ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক পটভূমি হিসেবে ব্যবহারের বিষয়টিও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ভাষ্য অনুযায়ী, এ ধরনের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ জাতীয় সংগীত, পতাকা এবং প্রতীক আদেশ, ১৯৭২ ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২-এর সরাসরি লঙ্ঘন।
অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানগুলোকেও নির্দেশ দেওয়ার আহ্বান
জাতীয় পতাকার যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। একই সঙ্গে অধীনস্থ দপ্তর, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে বলা হয়েছে।