
সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদসহ বিদেশে পালিয়ে থাকা সব আসামিকে দেশে ফিরিয়ে আইনের আওতায় আনতে সরকার কোনো গাফিলতি করবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেমের উত্থাপিত সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে প্রত্যর্পণের প্রস্তাবের ওপর আলোচনার জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে উভয় পক্ষের আলোচনা শেষে প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হয়। পরে এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে তা অবিলম্বে সংসদকে অবহিত করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশ দেন স্পিকার।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া সব আসামিকে শনাক্ত, গ্রেপ্তার এবং দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার ইন্টারপোল, সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের মিশনগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে।
সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে তিনি বলেন, তাঁর বর্তমান অবস্থান শনাক্ত করা, প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া, একাধিক পাসপোর্ট রাখার অভিযোগ যাচাই এবং দেশে-বিদেশে থাকা তাঁর অবৈধ সম্পদ শনাক্ত ও জব্দ করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষ সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
তিনি বলেন, সাবেক আইজিপিকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সম্ভাব্য সব ধরনের আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে এ প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য গত ৩০ জুলাই সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক আইনজীবী প্রতিষ্ঠান ‘হামদান আল কাবি অ্যাডভোকেটস অ্যান্ড লিগ্যাল কনসালটেন্সি’কে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সেন্ট লুসিয়ায় সাবেক আইজিপির বর্তমান অবস্থান নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, উপযুক্ত সূত্রের মাধ্যমে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।