
নতুন জাতীয় পে স্কেলের আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারির প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। এরই মধ্যে নবম জাতীয় পে স্কেলের খসড়া বিজি প্রেসে পাঠানো হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গতকালই খসড়াটি বিজি প্রেসে পাঠানো হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিজি প্রেসের প্রক্রিয়া শেষে খসড়াটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এরপর আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং সম্পন্ন করে আনুষ্ঠানিকভাবে এসআরও নম্বর দেওয়া হবে। সব প্রক্রিয়া শেষ হলে প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশ করা হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবারের মধ্যে নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের কথা জানিয়েছিলেন মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনি। তবে নির্ধারিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে গিয়ে কিছুটা সময় বেশি লাগছে বলে জানিয়েছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
অর্থসচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আগামী রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) নবম জাতীয় পে স্কেল-২০২৬-এর প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
এর আগে গত সোমবার মন্ত্রিসভায় নতুন বেতনকাঠামো অনুমোদন করা হয়। এখন পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান নিশ্চিত করার প্রস্তুতিও চলছে।
মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছেন, নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে যে অর্থ প্রয়োজন হবে, তা মধ্যমেয়াদি বাজেট পরিকল্পনায় (এমটিবিএফ) আগেই বিবেচনায় রাখা হয়েছিল। ফলে নতুন বেতনকাঠামোর জন্য এটি সরকারের ওপর আকস্মিক কোনো অতিরিক্ত ব্যয় নয়।
তিনি বলেন, ‘সরকার প্রতিবছর শুধু এক বছরের বাজেট করে না; বরং আগামী কয়েক বছরের সম্ভাব্য আয়-ব্যয়ের একটি আগাম হিসাবও করে। নতুন পে স্কেলের সম্ভাব্য ব্যয়ও সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিবেচনায় ছিল।’