
সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায়ের আয়োজনকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে ইরান। দেশটির কর্তৃপক্ষ এই আয়োজনকে জাতীয় সংহতি ও সক্ষমতার প্রদর্শন হিসেবেও দেখছে।
তবে বিপুল জনসমাগমকে সামনে রেখে সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
জার্মান সংবাদমাধ্যম ওয়েল্ট শনিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, তেহরান থেকে পাঠানো একটি গোপন নথিতে বড় পরিসরের জনসমাগমের কারণে দুর্ঘটনা বা স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের রেড ক্রিসেন্ট ও জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি চিঠিতে সাত দিনের কর্মসূচির সময় বিপুল মানুষের সমাগমের কারণে প্রাণহানি ও নিখোঁজের ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি বিশেষ সমন্বয় ইউনিট গঠনের পাশাপাশি জরুরি সেবা ও উদ্ধার কার্যক্রম প্রস্তুত রাখার কথাও নথিতে উল্লেখ রয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।
এদিকে তেহরানের বেহেস্ত-ই জাহরা কবরস্থানে অতিরিক্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে ইরানি কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, খামেনির মরদেহ তেহরান থেকে কোমে নেওয়া হবে। পরে ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় শ্রদ্ধা নিবেদনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তা আবার ইরানে ফিরিয়ে আনা হবে। আগামী ৯ জুলাই তার জন্মস্থান মাশহাদে দাফনের পরিকল্পনা রয়েছে।