
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ইরানি বাহিনীর এই হামলায় বিমানবন্দরের জ্বালানি স্থাপনায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (১ এপ্রিল) কুয়েতের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানায়, হামলার ফলে বিমানবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও সিএনএন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কুনা জানিয়েছে, বিমানবন্দরের জ্বালানি ট্যাংকে আঘাত হানার কারণে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র আব্দুল্লাহ আল-রাজি বলেন, “কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরান ও তাদের সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর নির্লজ্জ ড্রোন হামলা চালিয়েছে।”
তিনি আরও জানান, জরুরি সেবা সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থলে কাজ করছেন। হামলায় অবকাঠামোগত ক্ষতি হলেও কোনো ব্যক্তি আহত হননি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর আকস্মিক হামলার মধ্য দিয়ে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের সূচনা হয়। এরপর টানা ৩৩ দিন ধরে চলমান এই যুদ্ধে দুই পক্ষই পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইরান শুধু ইসরায়েল নয়, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটি ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতেও আঘাত হানছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ইরানি বাহিনীর হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মিত্র দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো—বিশেষ করে বিমানবন্দর ও জ্বালানি স্থাপনাগুলো। কুয়েতের এই হামলাকে সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।