
এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রায় ছয় লাখ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। এর মধ্যে ইংরেজি ও তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি)—এই দুই বিষয়ে ফেল করেছেন ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জন। ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইংরেজিতে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৮ জন এবং আইসিটিতে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৩ জন অকৃতকার্য হয়েছেন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হয়। ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন। পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ।
শিক্ষা বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২২ বছরের মধ্যে এবারই পাসের হার সর্বনিম্ন। এর আগে ২০০৪ সালে পাসের হার ছিল ৪৭ শতাংশ। গত বছর পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। সে হিসাবে এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ।
এবার ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। গত বছর এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি।
ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী জানান, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। কোনো শিক্ষার্থী যতটি বিষয়ে ফেল করেছেন, তাঁকে শুধু সেই বিষয়গুলোতেই আবার পরীক্ষা দিতে হবে।