
আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রথম শ্রেণি বাদে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তিতে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। আগামী ১৭ ডিসেম্বরের পর যেকোনো দিন এ ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা হতে পারে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন। তারা জানান, নভেম্বরের মধ্যে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শূন্য আসনের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এরপর ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের জন্য ইতোমধ্যে একটি খসড়া নীতিমালা তৈরি করেছে মাউশি। প্রস্তাবিত নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। আর দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তির ক্ষেত্রে নেওয়া হবে ৫০ নম্বরের পরীক্ষা। পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে এক ঘণ্টা।
দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষায় বাংলায় ১৫, ইংরেজিতে ১৫ এবং গণিতে ২০ নম্বর থাকবে।
অন্যদিকে ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ পরীক্ষার সময় হবে দুই ঘণ্টা। এসব শ্রেণির পরীক্ষায় বাংলায় ৩০, ইংরেজিতে ৩০ এবং গণিতে ৪০ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।
মাউশির কর্মকর্তারা জানান, ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হবে। প্রাথমিকভাবে ১৭ ডিসেম্বরের পর পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে পরীক্ষার চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এ বিষয়ে মাউশির মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেন, মাউশি থেকে একটি প্রস্তাবনা শিগগির শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয় প্রস্তাবে অনুমোদন দিলে ভর্তি নীতিমালা জারি করা হবে।