
সিলেটে অনুষ্ঠিত এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে গুরুতর ত্রুটি ধরা পড়ার ঘটনায় প্রশ্ন প্রণয়ন ও মডারেশনের দায়িত্বে থাকা চার শিক্ষককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াছমীনের স্বাক্ষরিত পৃথক নোটিশে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রশ্নপত্রের ত্রুটির কারণে পরীক্ষার্থীরা মানসিক চাপে পড়েছেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াছমীন।
শোকজ পাওয়া শিক্ষকেরা হলেন—শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান, বৃন্দাবন সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক কাজী জুনায়েদ আল আমিন, এমসি কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক মোছাদ্দেক হোসেন খান এবং সিলেট সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের প্রভাষক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
নোটিশে বলা হয়েছে, সোমবার অনুষ্ঠিত এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্র পরীক্ষার সৃজনশীল অংশের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে গুরুতর ত্রুটি ও অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। এ ধরনের ভুল প্রশ্ন পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকেন্দ্রে চরম মানসিক চাপের মধ্যে ফেলেছে।
এতে আরও বলা হয়, প্রশ্নপত্র পরিশোধনের দায়িত্বে থাকা একজন শিক্ষক হিসেবে এমন গুরুতর ভুল রেখে দেওয়া দায়িত্বহীনতা এবং পেশাগত অবহেলার শামিল। একই সঙ্গে এ ঘটনায় সিলেট শিক্ষা বোর্ডের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
নোটিশে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, প্রশ্নপত্রে এত বড় ত্রুটির জন্য কেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। এ বিষয়ে তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াছমীন বলেন, "আমাকে উচ্চ পর্যায় থেকে যেভাবে বলা হয়েছে ঠিক সেভাবেই আমি ব্যবস্থা নিয়েছি। কারণ দর্শানোর জন্য নোটিশ জারি করেছি।"