
সদ্য অনুষ্ঠিত প্রাথমিক স্কুলে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছেন প্রার্থীরা। তাদের দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে অভিযোগের তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবু নূর মো. শামসুজ্জামান।
ডিজি শামসুজ্জামান বলেন, “চাকরিপ্রার্থীরা আমাদের কাছে পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। তাই বিষয়টি তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে পরীক্ষা বাতিল করা হবে। এর আগেও দুটি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছিল। অনিয়ম না পাওয়া গেলে আমরা ফল প্রকাশ করব।”
তিনি আরও জানান, “নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের চেষ্টা হয়েছে এটি অস্বীকার করা যায় না। তবে পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে ডিজিএফআই, এনএসআই, ডিবি, এসবি এবং জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে উদ্ধার করা প্রশ্নের সঙ্গে আমাদের পরীক্ষার কোনো মিল ছিল না। এতে প্রতীয়মান হয়, প্রশ্নফাঁস হয়নি। তারপরও আমরা তদন্ত চালাব।”
ডিজি আরও বলেন, “ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে পরীক্ষা চলাকালীন নকলের চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্নফাঁস হয়নি। এ ধরনের নকলের দায়ে ২০৭ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় মামলা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।”
এই পদক্ষেপ প্রমাণ করছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ন্যায্যতা রক্ষা এবং পরীক্ষার সততা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট।