
দেশের বাজারে ফের বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। এবার ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম ঘোষণা করে বাজুস। ওই দিন সকাল ১০টা থেকেই সংশোধিত দাম কার্যকর হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দেশের জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে নির্ধারিত এই দামেই স্বর্ণ বিক্রি হবে।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সার্বিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, ১১.৬৬৪ গ্রাম বা এক ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভ্যাটসহ ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা। একইভাবে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩ হাজার ১৮৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই মূল্য কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে বাজুস। তবে অলঙ্কারের নকশা অনুযায়ী মজুরি আলাদাভাবে প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণ ও রৌপ্য অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে অতিরিক্তভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না।
এ ছাড়া নির্ধারিত ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়মই বহাল থাকবে।
এর আগে সর্বশেষ গত শনিবার (২২ আগস্ট) স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
তখন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৩৫ হাজার ৩০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ১ হাজার ৮৪৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮১২ টাকা।
বাজুসের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ১০৭ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৫ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে, ৫১ দফা কমানো হয়েছে এবং এক দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। ওই বছর ৬৪ বার দাম বাড়ানো এবং ২৯ বার কমানো হয়।