
দেশের দুর্বল ব্যাংক খাতকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে ব্যাংক রেজল্যুশন আইন সরকার নিজস্ব উদ্যোগেই করছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, এটি কোনো দাতা সংস্থার চাপ বা শর্তে নয়, বরং আর্থিক খাতকে শক্তিশালী করার অংশ হিসেবে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত।
রোববার (১০ মে) সচিবালয়ে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানস ঝাটের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।
তিনি জানান, ব্যাংক খাতকে আরও স্থিতিশীল ও নিয়ন্ত্রিত কাঠামোয় আনতে সরকার ব্যাংক রেজল্যুশন আইন বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে। প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তবে বৈঠক শেষে বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, আগে ব্যাংক রেজল্যুশন আইন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কয়েকটি দুর্বল ইসলামী ব্যাংক একীভূত করা হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক সংশোধনের মাধ্যমে সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকের পুরোনো মালিকানা পুনরায় ফেরার সুযোগ তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও বিশ্বব্যাংকের উদ্বেগ রয়েছে বলে জানা গেছে।
অর্থমন্ত্রী আরও জানান, বৈঠকে নতুন ঋণ সহায়তা ও আগামী বাজেটে বিশ্বব্যাংকের সম্ভাব্য অর্থায়ন নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, বৈশ্বিক সংকটের প্রেক্ষাপটে উন্নয়ন সহায়তা বাড়ানোর বিষয়ে সংস্থাটির সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চলছে।
বিশ্বব্যাংক সম্প্রতি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় উন্নয়নশীল ও স্বল্প আয়ের দেশগুলোর জন্য বড় অঙ্কের জরুরি সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে। সেই তহবিল থেকে বাংলাদেশও ঋণ সহায়তা চেয়েছে বলে জানা গেছে।