
ডিসেম্বর মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি আবার ঊর্ধ্বমুখী প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করেছে এবং ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশে পৌঁছেছে। এটি নভেম্বরে নথিভুক্ত ৮ দশমিক ২৯ শতাংশের চেয়ে কিছুটা বেশি। তবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই চাপ কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর সোমবার (৫ জানুয়ারি) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় পর্যায়ে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে ডিসেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে।
বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী, খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি ডিসেম্বর মাসে ৭ দশমিক ৭১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা নভেম্বরের ৭ দশমিক ৩৬ শতাংশের চেয়ে বেশি। খাদ্য-বহির্ভূত খাতেও মূল্যস্ফীতির হার বাড়ে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশে, নভেম্বরে যা ছিল ৯ দশমিক ০৮ শতাংশ।
বার্ষিক ভিত্তিতে পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে স্বস্তিদায়ক। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ১০ দশমিক ৮৯ শতাংশ। সেই সময় খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি ছিল ১২ দশমিক ৯২ শতাংশ এবং খাদ্য-বহির্ভূত খাতে ছিল ৯ দশমিক ২৬ শতাংশ।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক মাসগুলিতে মূল্যস্ফীতির ওঠানামা মূলত বাজারে সরবরাহের অবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত, পাশাপাশি জ্বালানি ও পরিবহন খরচ এবং ডলারের বিনিময় হারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। যদিও গত বছরের তুলনায় মূল্যস্ফীতি কমেছে, তবু ধারাবাহিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাজার ব্যবস্থাপনা ও নীতিগত সমন্বয় শক্তিশালী করার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন তারা।