
১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে ‘শানে রেসালাত’ শীর্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনে দেশের উল্লেখযোগ্য শীর্ষ আলেমরা অংশগ্রহণ করবেন।
আগামী ২৬ আগস্ট সকাল ৯টা থেকে দিনব্যাপী কটিয়াদী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে জেলা জুড়ে চলছে দাওয়াতি কার্যক্রম। এক মাস ধরে সব উপজেলার শীর্ষ আলেম-ওলামাদের আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।
আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে থাকবেন পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এবং কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দিন।
শীর্ষ আলেমদের মধ্যে যারা অংশ নেবেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন খতমে নবুয়ত সংরক্ষণ কমিটির আমির আল্লামা আব্দুল হামিদ (পীর মধুপুর), বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব আল্লামা আব্দুল মালেক, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমান, প্রবীণ ধর্মীয় বক্তা আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলীপুরী, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা ড. আ. ফ. ম. খালেদ হুসাইন, কাপাসিয়ার দেওনার পীর অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরী, আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্বারি শায়েখ আহমদ বিন ইউসুফ আল-আযহারী, মাওলানা হিফজুর রহমান খান, বক্তা মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, মুফতি কেফায়েতুল্লাহ আল-আজহারী, মুফতি নুর মোহাম্মদসহ জেলার শীর্ষ আলেমরা।
আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শানে রেসালাত সম্মেলন উপলক্ষে দুই মাস আগে থেকেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ১৫০ ফুট বাই ২০০ ফুট ডেকোরেশন করা হচ্ছে এবং ৫০ ফুট বাই ২৫ ফুট মঞ্চ তৈরি করা হচ্ছে। প্রতিটি উপজেলার আলেমদের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। লিফলেট, পোষ্টার লাগানো ও মাইকিং করা হচ্ছে।
এ ছাড়া সব মুসলমানকে সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য বিশেষ দাওয়াত দেওয়া হচ্ছে। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদা, সম্মান, মহিমা ও জীবনাদর্শের ওপর আলোচনা হবে।
আয়োজকেরা জানিয়েছেন, শানে রেসালাত সম্মেলন উপলক্ষে এরই মধ্যে মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ইসলামপ্রিয় মানুষ দেশের শীর্ষ আলেমদের মুখ থেকে আলোচনা শুনতে মুখিয়ে আছেন। ১২ রবিউল আউয়াল দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মাধ্যমে পালিত হবে।
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কটিয়াদী উপজেলা আমির মুফতি আব্দুর রশিদ ওয়াহেদী বলেন, ‘আয়োজন কটিয়াদীতে হলেও এতে পুরো কিশোরগঞ্জ জেলার মানুষের অংশগ্রহণ থাকবে। দিনরাত আমরা দাওয়াতের কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। রাসুল (সা.)-এর মহব্বতে সব মুমিন-মুসলমানের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি, সবাইকে অংশগ্রহণের জন্য। নবী (সা.)-এর মর্যাদা, সম্মান, মহিমা ও জীবনাদর্শের ওপর আলোচনা হবে এবং শীর্ষ আলেমরা ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়ে বার্তা দেবেন।’