
পাবনায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় আরও একজন মারা গেছেন। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩ জনে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের আতাইকুলার সড়াডাঙ্গী এলাকায় এ দূর্ঘটনা ঘটে।
আহত ছলিম প্রামানিক (৭০) কে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাবনা থেকে রাজশাহী নেবার পথে সকাল ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।তার বাড়ি পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার নন্দনপুর ইউনিয়নের মাহমুদপুর গ্রামে।
এর আগে এই দূর্ঘটনায় মারা যায় ছলিম প্রামানিকের স্ত্রী বুলু খাতুন (৫৭) এবং পাবনা পৌর এলাকার উত্তর শালগাড়ীর জামাল শেখের ছেলে অ্যাম্বুলেন্সের চালক রাজ শেখ (৩০)।
এ ঘটনায় গুরুত আহত ছলিম প্রামানিকের মেয়ে নাজনিন খাতুন (৪০), নাতী রিয়াদ সরদার (১৭), একইগ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে নাফিজ (৮)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে পাবনার মাধপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান রহমান জানান, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে থেকে কেয়া খাতুন নামের এক মেয়ের লাশ নিয়ে পাবনার বাড়িতে ফিরছিলেন পরিবারের সদস্যরা। এসময় ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা পাবনা এক্সপ্রেস নামের বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে অ্যাম্বুলেন্সের চালকসহ ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হযন।
তিনি আরো জানান, আহত চারজনকে উদ্ধার করে প্রথমে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ সময় দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে ছলিম প্রামানিক নামের আরো একজন মারা যান। নিহত ছলিম প্রামানিক ও বুলু খাতুন অ্যাম্বুলেন্সে থাকা মৃত কেয়ার নানা ও নানী।