
বরিশাল সফরকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে একনজর দেখতে মুন্সীগঞ্জের পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে সকাল থেকেই নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ঢল নেমেছে। টোলপ্লাজা, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ও সংযোগ সড়কজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল থেকে বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নেতাকর্মীরা ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে মাওয়া প্রান্তে অবস্থান নেন। এতে পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর আবহ।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে সকাল থেকেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।
সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদ্মা সেতু হয়ে বরিশালে পৌঁছে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন। কর্মসূচি শেষে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেবেন। সভায় উন্নয়ন কার্যক্রম, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেওয়ার কথা রয়েছে।
জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটিই তার বরিশালের প্রথম সফর। সফর শেষে তিনি সড়কপথেই ঢাকায় ফিরবেন।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যাপক সংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও এ সফর ঘিরে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফর নির্বিঘ্ন ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রশাসক একে এম এরাদদ মানু, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মোঃ মহিউদ্দিন রাড়ীখাল ইউনিয়ন পরিষদ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এমেল লস্করসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ।