
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় অপহরণের ৯ দিন পর মোহাম্মদ রাফিন (২০) নামে এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম সংলগ্ন অর্জুন খাল থেকে তার দেহের একাংশ উদ্ধার হয়।
পরিবারের দাবী, মুক্তিপন না পেয়ে অপহরণকারীরা তাকে হত্যা করেছে। রফিন চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার চিলাভাল্কি গ্রামের সৌদি প্রবাসী আক্তার হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় ব্যাটারিচালিত ভ্যানচালক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে কুতুবপুরের অর্জুন খালের পাশে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। খবর পেয়ে শনিবার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহটি অর্ধগলিত অবস্থায় ছিল।
নিহতের দাদি আমেনা বেগম জানান, গত ৫ জুন সকালে রাফিন বাড়ি থেকে ব্যাটারিচালিত পাখিভ্যান নিয়ে হন। সন্ধ্যা পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজখবর শুরু করেন। তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
তিনি আরও জানান, ওইদিন রাত ৮টার দিকে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে জানানো হয়, রাফিনকে অপহরণ করা হয়েছে। তাকে জীবিত ফেরত পেতে হলে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে হবে। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে আলমডাঙ্গা থানায় অভিযোগ করা হয়।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।