
বাগেরহাটের ঐতিহাসিক হযরত খান জাহান আলী (রহ.) মাজারের দিঘিতে কুমিরের আক্রমণে ফাতেমা (৭) নামে এক শিশু নিখোঁজ হয়েছে।
সোমবার (১ জুন) রাত আনুমানিক ৮টা ২০ মিনিটের দিকে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ ফাতেমা এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর সন্তান। তাৎক্ষণিকভাবে শিশুটির বাবার পরিচয় বা স্থায়ী ঠিকানা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাজার সংলগ্ন মহিলা ঘাটে রাত ৮টার দিকে ওই প্রতিবন্ধী মা তাঁর মেয়ে ফাতেমাকে নিয়ে গোসল করতে নামেন। এ সময় দিঘিতে থাকা একটি কুমির হঠাৎ শিশুটিকে কামড়ে ধরে পানির নিচে টেনে নিয়ে যায়। শিশুটির চিৎকার শুনে মাজার এলাকায় অবস্থানরত স্থানীয় লোকজন দ্রুত নৌকা নিয়ে দিঘিতে নেমে উদ্ধারের চেষ্টা চালালেও শিশুটির সন্ধান পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ, জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন এবং জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ফায়ার সার্ভিসের একটি দল স্থানীয়দের সহায়তায় দিঘিতে ব্যাপক তল্লাশি শুরু করেছে।
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন জানান, শিশুটিকে উদ্ধারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এবং ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে। পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার জানান, মাজার এলাকায় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, নিখোঁজ শিশুটিকে উদ্ধারে দিঘিতে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে রাতের অন্ধকার হওয়ায় উদ্ধার কাজে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে।