
তেল সংকটের অজুহাতে বিক্রি বন্ধ রাখলেও গোপনে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি মজুত করে রেখেছিল একটি ফিলিং স্টেশন। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩৪ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করা হয়েছে এবং ম্যানেজারকে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) রাতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সালেহুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এতে পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, জেলা এনএসআইয়ের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে কোনাবাড়ীর বাইমাইল এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে অবস্থিত মেসার্স আব্দুল আলী ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালানো হয়। এ সময় সেখানে অবৈধভাবে মজুত রাখা ২৮ হাজার ৫২১ লিটার ডিজেল এবং ৫ হাজার ৪১৯ লিটার অকটেন উদ্ধার করা হয়, যার মোট পরিমাণ প্রায় ৩৪ হাজার লিটার।
অভিযোগ রয়েছে, উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অকটেন মজুত থাকা সত্ত্বেও স্টেশনটি ‘তেল নেই’ বলে বিক্রি কার্যক্রম বন্ধ রেখেছিল।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মো. সালেহুর রহমান জানান, অবৈধভাবে জ্বালানি তেল সংরক্ষণের দায়ে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার আবুল কাশেম বাবুল (৬০) কে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ফিলিং স্টেশনটি সিলগালা করা হয়েছে।
এছাড়া আগামী ৩১ মার্চ থেকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে স্টেশনটির জব্দ করা তেল বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।