
লালমোহনে জোরপূর্বক পুকুরের মাছ ধরায় বাঁধা প্রদান করায় ৫ জনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের চরটিটয়া ৫ নং ওয়ার্ড মেহের আলী হাওলাদার বাড়িতে রোববার সকাল সাড়ে ১০ ঘটিকার সময় এ ঘটনা ঘটে।
জানাযায়,মেহের আলী হাওলাদার বাড়ি মৃত আজিজ উদ্দিন হাওলাদার বাড়ির পুকুরে মাছ ধরে জোরপূর্বক পাশ্ববর্তী বাড়ির ফক্কু জমাদার, মৃত আজিজল মিয়ার ছেলে আলাউদ্দিন জানান,রবিবার সকাল সাড়ে ১০ ঘটিকার সময় পাশ্ববর্তী বাড়ির ফক্কিু জমাদার,সোহাগ স্বপন,ফারুক,ইউসুফ,নবী হাওলাদার,আক্তার,মঞ্জু,লিটন,মিনারা,ছালেম,মাহামুদা সহ একদল লুটপাট বাহিনী নিয়ে আমাদের পুকুরের বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরে পরে আমরা বাঁধা দিলে ফক্কু গংরা আমাদের উপর অতর্কিত হামলা মারপিট চালায় এতে আহত হয় জয়গুন বিবি (৮০) রাকিব,কবির,আলাউদ্দিন, লিপি বেগম,পরে আহতদের ডাকচিৎকারে স্থানীয় লোকজন এসে আহতদের ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে লালমোহন হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এতে বৃদ্ধা জয়গুন বিবি (৮০)অবস্থা আশংকা জনক অবস্থা দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে তাৎক্ষণিক ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করেন।তিনি ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। এ ঘটনায় আলাউদ্দিন আরো অভিযোগ করে বলেন,আমরা গরিব দুর্বল অসহায় মানুষ একারনে পাশ্ববর্তী জমাদার বাড়ির ফক্কু গত ৩০ বছর যাবৎ আমাদের পরিবারের উপর অত্যাচার নির্যাতন চালিয়ে আসছে পুকুরের মাছ, গাছের সুপারি জমি জবরদখল এভাবেই করে আসছে আমরা প্রতিবাদ করলে আমাদের উপর হামলা চালায়। আজ আমাদের পুকুরের প্রায় ২ লক্ষ টাকার মাছ ধরে নিয়ে যায়।এ ঘটনায় আহতরা ন্যায় বিচার দাবি করেন।
অপরদিকে অভিযুক্ত ফক্কু জমাদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,আমি এ ঘটনার সাথে জড়িত না কিছু লোক আমাকে ফাঁসাইতেছে।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি অলিউল ইসলাম বলেন,এ ঘটনা আমাকে জানানো হয়েছে আমি তাদেরকে বলছি তারা যদি মামলা করতে চায় তাহলে মামলা নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিব।