
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তার হওয়া হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও তার সহযোগীকে দ্রুত বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ জোরদার করেছে সরকার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, এ বিষয়ে ইতোমধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ শুরু হয়েছে এবং খুব শিগগিরই তাদের দেশে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান তিনি।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকা থেকে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহিদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে আটক করেছে দেশটির পুলিশ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, তারা নিয়মের মধ্যে ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। আমরা আশা করছি খুব শীঘ্রই ফেরত আনা যাবে অপরাধীদের।”
এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাহিদ খান পাভেলকে ছাত্রলীগ সন্দেহে কয়েক দফা মারধর করে থানায় সোপর্দ করার ঘটনাকে ‘মব’ হিসেবে আখ্যা দিতে রাজি নন তিনি। তার ভাষায়, “এটি একটি সুনির্দিষ্ট অপরাধ। এটাকে আমরা মব বলতে পারিনা।” তিনি আরও দাবি করেন, বর্তমান সরকার মব সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
সভায় টেকনাফ স্থলবন্দর চালু করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পাশাপাশি কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা নিয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সভা শেষে তিনি বিমানে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। এর আগে শনিবার বিকেলে দুই দিনের সফরে কক্সবাজারে পৌঁছান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।