
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে যাত্রা করা একটি বিমান বোমা হুমকির অজ্ঞাত ফোন পাওয়ার পর ‘ফুল এমার্জেন্সি’ ঘোষণা করা হয়। তবে এটি বাস্তব ঘটনা নয়—বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) কক্সবাজার বিমানবন্দরে আয়োজন করা ‘এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি এক্সারসাইজ ২০২৬’ শীর্ষক পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা মহড়ার অংশ হিসেবে প্রদর্শিত একটি দৃশ্য।
মহড়ার সময় বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বলেন, “এ ধরনের মহড়া শুধুমাত্র দুর্বলতা শনাক্তের সুযোগ দেয় না, বরং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক মানের যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”
তিনি আরও জানান, গত বছরের ১৮ অক্টোবর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের সময় সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছিল। বর্তমান মহড়াটি আসন্ন আইকাও নিরাপত্তা অডিট-এর প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
এছাড়া, কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে ১০ হাজার ৭০০ ফুটে উন্নীতকরণ এবং নতুন আন্তর্জাতিক টার্মিনাল নির্মাণ দ্রুত শেষ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি।
মহড়ায় উপস্থিত ছিলেন বেবিচকের সদস্য (পরিচালনা ও পরিকল্পনা) এয়ার কমডোর আবু সাঈদ মেহ্বুব খান, সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমডোর মো. আসিফ ইকবাল, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন অংশগ্রহণকারী সংস্থার প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মী।
বেবিচক জানায়, প্রতি দুই বছর অন্তর হাইজ্যাক, বোমা হামলা ও অন্যান্য ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা যাচাই এবং অংশগ্রহণকারীদের প্রস্তুতি বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এ ধরনের মহড়া আয়োজন করা হয়।