
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে খতনা করাতে গিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে এক শিশু—অভিযোগ উঠেছে, কথিত এক চিকিৎসকের অবহেলায় তার পুরুষাঙ্গের সামনের অংশ কেটে গেছে।
এই ঘটনায় শুক্রবার (১০ এপ্রিল) অভিযুক্ত একজনকে আটক করেছে পুলিশ। ইতোমধ্যে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মোহাম্মদপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ ও পরিবারের সূত্রে জানা যায়, গত ২২ মার্চ সকালে ঢাকা উদ্যান এলাকার ‘খলিল মেডিকেল’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে শিশু আতিকুর রহমানকে সুন্নতে খতনা করানোর জন্য নেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, খতনার সময় দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির অবহেলায় শিশুটির পুরুষাঙ্গের সামনের অংশে গুরুতর ক্ষতি হয়।
ঘটনার পরপরই ওই ব্যক্তি দ্রুত শিশুটিকে হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। হাসপাতালে নেওয়ার পর রক্তপাত বন্ধ করা সম্ভব হলেও পরিবারের দাবি, এই ঘটনার কারণে শিশুটির স্বাভাবিক জীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পরিবার আরও অভিযোগ করেছে, ঘটনার পর ক্ষতিপূরণ ও দায় স্বীকারের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কোনো সমাধান না দিয়ে উল্টো তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘খলিল মেডিকেল’-এর পরিচালক খলিল প্রকৃতপক্ষে কোনো চিকিৎসক নন; তিনি একজন ফার্মাসিস্ট এবং তার ফার্মাসিস্ট নম্বর এ-১০৩০৪৫।
এ বিষয়ে ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের এডিসি জুয়েল রানা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং মামলার ভিত্তিতে খলিল মেডিকেলের পরিচালক খলিলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন।