
পরিবারকে আরও সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির পদ ছাড়ছেন ক্যারোলিন লেভিট। বুধবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
ট্রাম্প সমর্থকদের মধ্যে জনপ্রিয় লেভিটকে প্রেসিডেন্টের ‘অন্যতম বিশ্বস্ত সহযোগী’ হিসেবে দেখা হলেও তার মেয়াদে বিতর্কও কম হয়নি। ভুল তথ্য প্রচার এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত করার অভিযোগে সমালোচকদের কঠোর আক্রমণের মুখে ছিলেন তিনি। তার বিদায়ের ঘোষণা আসার পরই নতুন প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে সম্ভাব্য কয়েকজনের নাম আলোচনায় এসেছে।
এই তালিকার অন্যতম আলোচিত নাম ট্রাম্পের সাবেক ব্যক্তিগত আইনজীবী আলিনা হ্যাব্বা। ২০২৪ সালের হাশ-মানি মামলায় ট্রাম্পের পক্ষে আইনি লড়াই করেছিলেন তিনি। হ্যাব্বার প্রতি তার আনুগত্যের প্রকাশ্য প্রশংসাও করেছিলেন ট্রাম্প। পরে নিউ জার্সির অন্তর্বর্তীকালীন মার্কিন অ্যাটর্নির দায়িত্ব পান হ্যাব্বা। তাকে ওই পদে বহাল রাখতে আদালত ও সিনেটের সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসনকে।
সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের তালিকায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নাম সিএনএনের রাজনৈতিক ভাষ্যকার স্কট জেনিংস। জর্জ ডব্লিউ বুশ প্রশাসনে দায়িত্ব পালন করা জেনিংস একসময় ট্রাম্পের সমালোচক ছিলেন। তবে পরবর্তী সময়ে সিএনএনে ট্রাম্পের পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রেসিডেন্টের প্রশংসা কুড়ান তিনি।
এ ছাড়া সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন ডানপন্থী সংবাদমাধ্যম ব্রেইটবার্টের ওয়াশিংটন ব্যুরো প্রধান ম্যাথিউ বয়েল। ট্রাম্পের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত পরিচয় রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন ইলন মাস্কের ডজ (DOGE) সংস্থা এবং সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের সাবেক যোগাযোগ পরিচালক ক্যাটি মিলারও। তিনি ট্রাম্পের শীর্ষ উপদেষ্টা স্টিফেন মিলারের স্ত্রী।
অন্যদিকে, লেভিটের অধীনে বর্তমানে হোয়াইট হাউসে ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা অ্যানা কেলিও প্রেস সেক্রেটারির পদ পাওয়ার দৌড়ে অন্যতম শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।