
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে যেকোনো মূল্যে সিন্ডিকেটমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, মন্ত্রণালয় ও শ্রমবাজারকে সিন্ডিকেটমুক্ত করাই তাঁর প্রধান চ্যালেঞ্জ এবং এতে ব্যর্থ হলে তিনি পদত্যাগ করবেন।
মঙ্গলবার (২ জুন) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্রিফিংয়ে এক সংবাদকর্মী মন্ত্রীর কাছে জানতে চান, জনশক্তি রপ্তানি ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে সম্পূর্ণ সিন্ডিকেটমুক্ত করা সম্ভব কি না। জবাবে মন্ত্রী দৃঢ়তার সাথে বলেন,
"এটাই (সিন্ডিকেটমুক্ত করা) আমার চ্যালেঞ্জ। এটা যদি না করতে পারি, চলে যাব।"
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের চলমান সংকট ও অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন করা হলে আরিফুল হক চৌধুরী ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, "আমি প্রথম দিন থেকেই বলে আসছি, আমি যদি এখানে মন্ত্রী থাকি, এখানে কোনো ধরনের সিন্ডিকেটের সুযোগ থাকবে না।"
আসন্ন সংস্কারের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, "ইনশাআল্লাহ আপনারা আগামী ১০-১৫ দিন থেকে এক মাসের মধ্যে—অথবা সামান্য কিছু বেশি সময়ের মধ্যে এমন কিছু পরিবর্তন দেখতে পাবেন, যা দীর্ঘদিন শুনেননি। এরপর আপনাদের সামনে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা আসবে এবং সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যাবে। এর মাধ্যমে আমাদের (মালয়েশিয়ার) শ্রমবাজারটি আবারও উন্মুক্ত হবে।"
চলতি মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য মালয়েশিয়া সফর এবং সেখানে নতুন কোনো সমঝোতা স্মারক (MoU) সই হবে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, এই মুহূর্তে তাঁর কাছে নতুন কোনো তথ্য নেই। তবে পূর্ববর্তী একটি সমঝোতা স্মারক কার্যকর রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মন্ত্রণালয়ের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক উপস্থিত ছিলেন।