
জাতির মেরুদণ্ডকে সোজা রাখার দায়িত্ব শিক্ষকদের ওপর বর্তায় বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, “শিক্ষকরা হচ্ছেন জাতির ‘প্র্যাকটিক্যাল ডক্টর’, যারা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তোলেন।”
রোববার (২৯ মার্চ) রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম)-এ নতুন জাতীয়কৃত কলেজের নন-ক্যাডার শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, “শিক্ষা যদি জাতির মেরুদণ্ড হয়, তবে সেই মেরুদণ্ডকে সোজা রাখার দায়িত্ব শিক্ষকদের ওপরই বর্তায়। নানা সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও শিক্ষকদের তাদের নৈতিক ও পেশাগত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।” তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, “নিজেদের শিক্ষার্থীদের সন্তানতুল্য মনে করে তাদের গড়ে তুলতে হবে।”
শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষাব্যবস্থার কিছু কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রতার কারণে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে, যা জাতীয় পর্যায়ে বড় ধরনের ক্ষতির কারণ।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের মন্ত্রী নির্দেশ দেন, প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেকে লিখিতভাবে তাদের সুপারিশ জমা দেবেন, যাতে ভবিষ্যতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও উন্নত করা যায়। তিনি শিক্ষা কার্যক্রমকে ‘ইবাদতখানা’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, প্রতিটি ভালো ফলাফল সদকায়ে জারিয়ার অন্তর্ভুক্ত, যা শিক্ষককে দীর্ঘ মেয়াদে উপকৃত করে।
অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, নায়েমের মহাপরিচালক ড. ওয়াসিম মো. মেজবাহুল হক এবং দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত নতুন জাতীয়করণকৃত কলেজের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।